লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করার বিল পেশ ও আলোচনার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এ নিয়ে কড়া বার্তা দেন। তিনি বলেন, এই বিলের বিরোধিতা করলে ভবিষ্যতে তার দীর্ঘমেয়াদী রাজনৈতিক মূল্য চোকাতে হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, বহু বছর ধরে মহিলা সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা চললেও বাস্তব অগ্রগতি এবারই সম্ভব হয়েছে। তাঁর মতে, অতীতে যাঁরা এই ধরনের উদ্যোগের বিরোধিতা করেছেন, তাঁদের প্রতি দেশের মহিলারা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেখাননি।
মোদি আরও বলেন, পঞ্চায়েত স্তরে মহিলাদের সংরক্ষণের ফলে তাঁরা এখন রাজনৈতিকভাবে অনেক বেশি সচেতন ও অভিজ্ঞ হয়ে উঠেছেন। তিনি দাবি করেন, এখন মহিলারা শুধু প্রশাসনিক কাজেই নয়, নির্বাচনী রাজনীতিতেও সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে চাইছেন।
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, সরকার সবাইকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করতে চায় এবং সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক বিরোধীদের উদ্দেশে বারবার ইঙ্গিত ছিল যে, এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা ভবিষ্যতে তাদের রাজনৈতিক প্রভাবের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
